সাস্থ্য ডেস্ক:বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ মানুষ ‘ডিসলিপিডেমিয়া’ বা রক্তে অধিক চর্বির সমস্যায় ভোগেন। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রক্তনালিতে জমা হতে হতে রক্তনালির স্বাভাবিক যে রক্তস্রোত তা বাধাপ্রাপ্ত হয়। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের মতো মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়, যা মাঝে মাঝে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ বিষয়ে একটু সচেতন হওয়া দরকার।কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার কারণকোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হলে প্রথমেই জানতে হবে কেন ব্লাড কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। এর কিছু কারণ হলো :♦ অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস।♦ কম কায়িক পরিশ্রম।♦ রান্নায় তেলের ব্যবহারে সচেতন না হওয়া; প্রতিদিন ভাজাপোড়া খাবারকে প্রাধান্য দেওয়া।♦ ধূমপান, মদ্যপান, জর্দা সেবন, তামাক সেবন ও কিছু ড্রাগ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তির ‘ডিসলিপিডেমিয়া’ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।খাদ্যতালিকায় যেসব পরিবর্তন আনা উচিতএ ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডায়াটিশিয়ানের পরামর্শে চলা উচিত।♦ অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ না করা এভং সরল শর্করা খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া।♦ পর্যাপ্ত পরিমাণে মৌসুমি ফল ও শাক-সবজি খাওয়া।♦ ভিটামিন এ যুক্ত কাঁচা সবজি সালাদ বা জুস হিসেবে খাওয়া।♦ প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটাচলা বা এক্সারসাইজ করা।♦ ধূমপান বা অন্যান্য বদ-অভ্যাস থাকলে যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা।♦ রান্নায় তেলের ব্যবহারে সচেতন হওয়া।অতিরিক্ত তেলের খাবার, ভুনা খাবার এড়িয়ে চলা।♦ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত গরুর মাংস, হাঁসের মাংস, খাসির মাংস ও দুধ বা দুধজাতীয় খাবার বাদ দেওয়া। প্রয়োজনে খাদ্যতালিকায় টক দই রাখা যেতে পারে।♦ এ ছাড়া মিশ্র বাদাম, কাঁচা দেশি রসুন, তেঁতুল ইত্যাদি খাবারও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই পরিমাণ ও সময় পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে।তাই লিপিড প্রফাইলে ঝামেলা হলে শুরু থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। লাইফ স্টাইল ও খাদ্যতালিকা মেনে চললে ডিসলিপিডেমিয়া থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা সম্ভব।পরামর্শ দিয়েছেনফাতেমা সিদ্দিকী ছন্দাক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট, ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, মালিবাগ
প্রকাশিত : শনিবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪ , সকাল ০৬:৪০।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ রবিবার , ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৭:৩১
কোলেস্টেরল সমস্যায় যা করণীয়
সাস্থ্য ডেস্ক:বর্তমান সময়ে বেশির ভাগ মানুষ ‘ডিসলিপিডেমিয়া’ বা রক্তে অধিক চর্বির সমস্যায় ভোগেন। অতিরিক্ত কোলেস্টেরল রক্তনালিতে জমা হতে হতে রক্তনালির স্বাভাবিক যে রক্তস্রোত তা বাধাপ্রাপ্ত হয়। এর ফলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের মতো মারাত্মক সমস্যা তৈরি হয়, যা মাঝে মাঝে মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই এ বিষয়ে একটু সচেতন হওয়া দরকার।কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়ার কারণকোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হলে প্রথমেই জানতে হবে কেন ব্লাড কোলেস্টেরল বেড়ে যায়। এর কিছু কারণ হলো :♦ অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাস।♦ কম কায়িক পরিশ্রম।♦ রান্নায় তেলের ব্যবহারে সচেতন না হওয়া; প্রতিদিন ভাজাপোড়া খাবারকে প্রাধান্য দেওয়া।♦ ধূমপান, মদ্যপান, জর্দা সেবন, তামাক সেবন ও কিছু ড্রাগ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। এ ছাড়া ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তির ‘ডিসলিপিডেমিয়া’ হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।খাদ্যতালিকায় যেসব পরিবর্তন আনা উচিতএ ক্ষেত্রে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডায়াটিশিয়ানের পরামর্শে চলা উচিত।♦ অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ না করা এভং সরল শর্করা খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া।♦ পর্যাপ্ত পরিমাণে মৌসুমি ফল ও শাক-সবজি খাওয়া।♦ ভিটামিন এ যুক্ত কাঁচা সবজি সালাদ বা জুস হিসেবে খাওয়া।♦ প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটাচলা বা এক্সারসাইজ করা।♦ ধূমপান বা অন্যান্য বদ-অভ্যাস থাকলে যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা।♦ রান্নায় তেলের ব্যবহারে সচেতন হওয়া।অতিরিক্ত তেলের খাবার, ভুনা খাবার এড়িয়ে চলা।♦ কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত গরুর মাংস, হাঁসের মাংস, খাসির মাংস ও দুধ বা দুধজাতীয় খাবার বাদ দেওয়া। প্রয়োজনে খাদ্যতালিকায় টক দই রাখা যেতে পারে।♦ এ ছাড়া মিশ্র বাদাম, কাঁচা দেশি রসুন, তেঁতুল ইত্যাদি খাবারও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। তবে অবশ্যই পরিমাণ ও সময় পুষ্টিবিদের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে হবে।তাই লিপিড প্রফাইলে ঝামেলা হলে শুরু থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। লাইফ স্টাইল ও খাদ্যতালিকা মেনে চললে ডিসলিপিডেমিয়া থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা সম্ভব।পরামর্শ দিয়েছেনফাতেমা সিদ্দিকী ছন্দাক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান ও নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট, ইবনেসিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, মালিবাগ