নিজস্ব প্রতিবেদক:কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি আর উজানে ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা ঢলে পানির নিচে দেশের ১১ জেলা। ভয়াবহ বন্যায় ডুবেছে একের পর এক গ্রাম। ভেসে গেছে বহু ঘরবাড়ি ও পুকুরের মাছ। বিচ্ছিন্ন হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এমন অবস্থায় ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।সেখানে বলা হয়েছে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীসমূহের পানি ধীরগতিতে হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের ত্রিপুরার অভ্যন্তরীণ অববাহিকায় ভারী বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি। এমন প্রেক্ষাপটে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা করছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।শুক্রবার
(২৩ আগস্ট) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও
সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান স্বাক্ষরিত
নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।নদ-নদীর
পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল ও
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীসমূহের পানি ধীরগতিতে হ্রাস পাচ্ছে। বিগত ২৪
ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী জেলার ভারতীয়
ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এবং ত্রিপুরা প্রদেশের অভ্যন্তরীণ
অববাহিকাসমূহে ভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়নি এবং উজানের নদ-নদীর পানির
সমতল হ্রাস পাওয়া শুরু হয়েছে। ফলে বর্তমানে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ফেনী,
কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলের বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতির
ধীরগতিতে উন্নতি হচ্ছে।দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টায় কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এই
সময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানেও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
নেই। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, খোয়াই, ধলাই
নদ-নদীসমূহের সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।এ
ছাড়া ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানির সমতল কমছে। আর গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি
স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও কমছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায়
এসব নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।
প্রকাশিত : শুক্রবার , ২৩ আগস্ট ২০২৪ , দুপুর ১২:৪৩।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , সকাল ১০:৫৭
পূর্বাঞ্চলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির পূর্বাভাস
নিজস্ব প্রতিবেদক:কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি আর উজানে ভারতের ত্রিপুরা থেকে নেমে আসা ঢলে পানির নিচে দেশের ১১ জেলা। ভয়াবহ বন্যায় ডুবেছে একের পর এক গ্রাম। ভেসে গেছে বহু ঘরবাড়ি ও পুকুরের মাছ। বিচ্ছিন্ন হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এমন অবস্থায় ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।সেখানে বলা হয়েছে, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীসমূহের পানি ধীরগতিতে হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতের ত্রিপুরার অভ্যন্তরীণ অববাহিকায় ভারী বৃষ্টিপাত দেখা যায়নি। এমন প্রেক্ষাপটে আগামী ২৪ ঘণ্টায় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনীতে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আশা করছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।শুক্রবার
(২৩ আগস্ট) সকাল ৯টায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও
সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান স্বাক্ষরিত
নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এই চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।নদ-নদীর
পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে বলা হয়, দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, পূর্বাঞ্চল ও
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদীসমূহের পানি ধীরগতিতে হ্রাস পাচ্ছে। বিগত ২৪
ঘণ্টায় পূর্বাঞ্চলীয় কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ফেনী জেলার ভারতীয়
ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এবং ত্রিপুরা প্রদেশের অভ্যন্তরীণ
অববাহিকাসমূহে ভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়নি এবং উজানের নদ-নদীর পানির
সমতল হ্রাস পাওয়া শুরু হয়েছে। ফলে বর্তমানে মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ফেনী,
কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলের বিদ্যমান বন্যা পরিস্থিতির
ধীরগতিতে উন্নতি হচ্ছে।দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানির সমতল স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ২৪ ঘণ্টায় কমতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এই
সময়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন উজানেও ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা
নেই। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, খোয়াই, ধলাই
নদ-নদীসমূহের সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।এ
ছাড়া ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানির সমতল কমছে। আর গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি
স্থিতিশীল আছে, যা আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে।
উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও কমছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায়
এসব নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে বলা হয়েছে।