স্টাফ রিপোর্টারঃ কাজিপুর উপজেলা যুবলীগের সদস্য রানা আহমেদ ওরফে ফিতা রানার বিরুদ্ধে
প্রতারণার অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা দোলা সরকার।রানা সোনামুখি ইউনিয়নের পাঁচগাছি গ্রামের নবীর মন্ডলের ছেলে। গতকাল সোনামুখী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দোলা সরকার সাংবাদিক সম্মেলন করে তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ
করেন। তিনি বলেন,"আফজাল হোসেন মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক ও মানবাধিকার কর্মী আবু বাশীরের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান খিদমাহ এন্টারপ্রাইজে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে এই প্রতারক। এরপর ফুপাতো ভাই মৃত আলতাফ সরকারের ঘর ৩০ হাজার টাকা জামানত দিয়ে ভাড়া নিলেও আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে কোন প্রকার মাসিক ভাড়া না দিয়ে উল্টো ৮ লাখ টাকার ভূয়া চুক্তিপত্র প্রদর্শন করে ঘর মালিকের কাছে জামানত ফেরৎ চায়।" সরকার পরিবর্তনের
পর ফিতা রানা আত্মগোপনে যায়।এই খবর পেয়ে বিভিন্ন রানার
পাওনাদারগণ এসে দোলা সরকারের কাছে অভিযোগ করেন।তারপর ঘর মালিক আলতাফ
সরকার এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রতারক রানার দোকান ঘরে তালা ঝুলিয়ে
দেন। তালা খোলার জন্য ফিতা রানা দোলা সরকারের কাছে ফোন করে।দোলা সরকার সরল বিশ্বাসে ঘর মালিকের টাকা ফেরত চাইলে সে কৌশলে কল রেকর্ড করে।
পরে তা এডিটিং এর মাধ্যমে চাঁদাবাজি হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এরপর দোলা সরকার সহ ৭ জনকে আসামী করে সিরাজগঞ্জ কোর্টে দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে
মামলা দায়ের করে রানা। লিখিত বক্তব্যে দোলা সরকার জানান, এর আগেও চেক জালিয়াতির মামলায় রানা গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে।পিপুলবাড়ীয়ার মা মটরসের সত্ত্বাধিকারী শামীমের কাছ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকার ক্রোকারিজ পণ্য নিয়ে ভূয়া চেক দিয়েছে।সিরাজগঞ্জের হিরো মটরস থেকে ২ টি বাইক কিস্তিতে নিয়ে তার সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ না করে তালবাহানা করছে।এ বিষয়ে শোরুমের ম্যানেজার ইসমাইল হোসেন অভিযোগ করেছেন।এছাড়া ব্রাক সোনামুখী ব্রাঞ্চের ম্যানেজারও টাকা পাবেন বলে অভিযোগ করেন।
নিজ গ্রাম পাঁচগাছির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি জানান, "প্রতারণা
করে টাকা হাতিয়ে নেওয়াই রানার মূল ব্যবসা।সবার সাথে প্রথমে সুন্দর আচরণের মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে তোলে তারপর বিভিন্ন কৌশলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।"ফিতা রানার প্রতারণায় অতিষ্ঠ গ্রামবাসী এর উপযুক্ত বিচার দাবী করেছেন। এসব
দিক বিবেচনায় দোলা সরকার জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা এবং
ভিত্তিহীন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, আবু বাসির সবুজ, সবুজ সরকার, মনি
সরকার,সোহেল রানা,হান্নান সরকার, মাহিম প্রমূখ।
প্রকাশিত : বুধবার , ১৬ অক্টোবর ২০২৪ , সকাল ১১:০৩।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , রাত ০৮:৪৮
কাজিপুরে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টারঃ কাজিপুর উপজেলা যুবলীগের সদস্য রানা আহমেদ ওরফে ফিতা রানার বিরুদ্ধে
প্রতারণার অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতা দোলা সরকার।রানা সোনামুখি ইউনিয়নের পাঁচগাছি গ্রামের নবীর মন্ডলের ছেলে। গতকাল সোনামুখী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দোলা সরকার সাংবাদিক সম্মেলন করে তার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ
করেন। তিনি বলেন,"আফজাল হোসেন মেমোরিয়াল ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক ও মানবাধিকার কর্মী আবু বাশীরের ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান খিদমাহ এন্টারপ্রাইজে ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত থাকা অবস্থায় সাড়ে সাত লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে এই প্রতারক। এরপর ফুপাতো ভাই মৃত আলতাফ সরকারের ঘর ৩০ হাজার টাকা জামানত দিয়ে ভাড়া নিলেও আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে কোন প্রকার মাসিক ভাড়া না দিয়ে উল্টো ৮ লাখ টাকার ভূয়া চুক্তিপত্র প্রদর্শন করে ঘর মালিকের কাছে জামানত ফেরৎ চায়।" সরকার পরিবর্তনের
পর ফিতা রানা আত্মগোপনে যায়।এই খবর পেয়ে বিভিন্ন রানার
পাওনাদারগণ এসে দোলা সরকারের কাছে অভিযোগ করেন।তারপর ঘর মালিক আলতাফ
সরকার এলাকাবাসীর সহযোগিতায় প্রতারক রানার দোকান ঘরে তালা ঝুলিয়ে
দেন। তালা খোলার জন্য ফিতা রানা দোলা সরকারের কাছে ফোন করে।দোলা সরকার সরল বিশ্বাসে ঘর মালিকের টাকা ফেরত চাইলে সে কৌশলে কল রেকর্ড করে।
পরে তা এডিটিং এর মাধ্যমে চাঁদাবাজি হিসেবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এরপর দোলা সরকার সহ ৭ জনকে আসামী করে সিরাজগঞ্জ কোর্টে দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে
মামলা দায়ের করে রানা। লিখিত বক্তব্যে দোলা সরকার জানান, এর আগেও চেক জালিয়াতির মামলায় রানা গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছে।পিপুলবাড়ীয়ার মা মটরসের সত্ত্বাধিকারী শামীমের কাছ থেকে সাড়ে চার লাখ টাকার ক্রোকারিজ পণ্য নিয়ে ভূয়া চেক দিয়েছে।সিরাজগঞ্জের হিরো মটরস থেকে ২ টি বাইক কিস্তিতে নিয়ে তার সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ না করে তালবাহানা করছে।এ বিষয়ে শোরুমের ম্যানেজার ইসমাইল হোসেন অভিযোগ করেছেন।এছাড়া ব্রাক সোনামুখী ব্রাঞ্চের ম্যানেজারও টাকা পাবেন বলে অভিযোগ করেন।
নিজ গ্রাম পাঁচগাছির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি জানান, "প্রতারণা
করে টাকা হাতিয়ে নেওয়াই রানার মূল ব্যবসা।সবার সাথে প্রথমে সুন্দর আচরণের মাধ্যমে সখ্যতা গড়ে তোলে তারপর বিভিন্ন কৌশলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়।"ফিতা রানার প্রতারণায় অতিষ্ঠ গ্রামবাসী এর উপযুক্ত বিচার দাবী করেছেন। এসব
দিক বিবেচনায় দোলা সরকার জানান, আমার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ মিথ্যা এবং
ভিত্তিহীন। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন, আবু বাসির সবুজ, সবুজ সরকার, মনি
সরকার,সোহেল রানা,হান্নান সরকার, মাহিম প্রমূখ।