আবদুল জলিল, এনামুল হকঃ কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) ঃ প্রায় অর্ধ
শতাব্দী পরে
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ফাজিল
মাদ্রাসা মাঠ
থেকে গরুর
হাট অন্যত্র
সরানো হয়েছে। এই ঘটনায় শিক্ষক
ও শিক্ষার্থীদের
মধ্যে স্বস্থি
ফিরে এসেছে।
গত ১৫
সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা মাঠ থেকে গরুর
হাট সরানোর দাবীতে
মানববন্ধন করেছিলো ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী
ও শিক্ষকগণ।
মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসার
মাঠে গরুর
হাট বসানোর
অসুবিধাসমূহ তুলে ধরে নানা স্লোগান
দেন। পরদিন
উপজেলা প্রশাসনের
নিকট গরুর
হাট বন্ধে
ব্যবস্থা নেয়ার
জন্যে দরখাস্ত
দিয়েছিলো মাদ্রাসা
কর্তৃপক্ষ। প্রতি রবিবার
ওই মাদ্রাসা
মাঠজুড়ে বিশাল
গরুর বিশাল
হাট বসতো।
ফলে শিক্ষার্থীরা
গরু আর
মানুষজনের চীৎকার চেঁচামেচিতে ক্লাস করতে
পারতো না।
বিশেষ করে
মেয়েদের সমস্যা
হতো বেশি।
ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী
বোরহান আহমেদ
জানান,
রবিবার এলেই আমাদের মাঠ বেলা
এগারটার মধ্যেই
গরু দিয়ে
ভরে যেতো।
আজকে সম্পর্ণ
ভিন্ন চিত্র।
আমরা শান্তিতে
আজ সবগুলো
ক্লাস করতে
পারলাম। সোনামুখী ফাজিল
মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামসুল আল
আমিন জানান,
দীর্ঘদিন যাবৎ
আমরা আমাদের
মাদ্রাসা মাঠ
থেকে গরুর
হাট সরানোর
জন্যে হাট
ইজারাদার ও
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছিলাম।
এবার কাজ
হয়েছে। এতে
করে রবিবার
দিনের যে
ভোগান্তি সেখান
থেকে আমরা
রক্ষা পেয়েছি। কাজিপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাবরিন আক্তার জানান, হাট ইজারাদারকে মাদ্রাসা মাঠে হাট বসানো বন্ধ করতে পত্র দিয়েছিলাম। তারা মাদ্রাসা মাঠের গরুর হাটটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন।
প্রকাশিত : রবিবার , ৬ অক্টোবর ২০২৪ , সকাল ১০:৪৪।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , ভোর ০৫:৩৪
অর্ধ শতাব্দী পরে কাজিপুরের সোনামুখী মাদ্রাসা মাঠ থেকে গরুর হাট সরলো
আবদুল জলিল, এনামুল হকঃ কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) ঃ প্রায় অর্ধ
শতাব্দী পরে
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার সোনামুখী ফাজিল
মাদ্রাসা মাঠ
থেকে গরুর
হাট অন্যত্র
সরানো হয়েছে। এই ঘটনায় শিক্ষক
ও শিক্ষার্থীদের
মধ্যে স্বস্থি
ফিরে এসেছে।
গত ১৫
সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা মাঠ থেকে গরুর
হাট সরানোর দাবীতে
মানববন্ধন করেছিলো ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী
ও শিক্ষকগণ।
মানববন্ধন থেকে শিক্ষার্থীরা ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসার
মাঠে গরুর
হাট বসানোর
অসুবিধাসমূহ তুলে ধরে নানা স্লোগান
দেন। পরদিন
উপজেলা প্রশাসনের
নিকট গরুর
হাট বন্ধে
ব্যবস্থা নেয়ার
জন্যে দরখাস্ত
দিয়েছিলো মাদ্রাসা
কর্তৃপক্ষ। প্রতি রবিবার
ওই মাদ্রাসা
মাঠজুড়ে বিশাল
গরুর বিশাল
হাট বসতো।
ফলে শিক্ষার্থীরা
গরু আর
মানুষজনের চীৎকার চেঁচামেচিতে ক্লাস করতে
পারতো না।
বিশেষ করে
মেয়েদের সমস্যা
হতো বেশি।
ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী
বোরহান আহমেদ
জানান,
রবিবার এলেই আমাদের মাঠ বেলা
এগারটার মধ্যেই
গরু দিয়ে
ভরে যেতো।
আজকে সম্পর্ণ
ভিন্ন চিত্র।
আমরা শান্তিতে
আজ সবগুলো
ক্লাস করতে
পারলাম। সোনামুখী ফাজিল
মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শামসুল আল
আমিন জানান,
দীর্ঘদিন যাবৎ
আমরা আমাদের
মাদ্রাসা মাঠ
থেকে গরুর
হাট সরানোর
জন্যে হাট
ইজারাদার ও
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছিলাম।
এবার কাজ
হয়েছে। এতে
করে রবিবার
দিনের যে
ভোগান্তি সেখান
থেকে আমরা
রক্ষা পেয়েছি। কাজিপুর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) সাবরিন আক্তার জানান, হাট ইজারাদারকে মাদ্রাসা মাঠে হাট বসানো বন্ধ করতে পত্র দিয়েছিলাম। তারা মাদ্রাসা মাঠের গরুর হাটটি অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন।