প্রকাশিত : সোমবার , ২৫ নভেম্বর ২০২৪ , সকাল ১১:৫৯।। প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৭:৫০

মরণফাঁদে পরিণত দুপচাঁচিয়ার ধাপহাট-কালিতলা সড়ক দৈনন্দিন দূর্ঘটনা বাড়ছে


উজ্জ্বল চক্রবর্ত্তী শিশির, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি দুপচাঁচিয়া উপজেলা সদরে ধাপহাট হয়ে কালিতলা পর্যন্ত রাস্তাটি নাগর নদের ভাঙ্গনে মরন ফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা বাড়ছে। দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার না করায় এই রাস্তাটি খানাখন্দে পরিনত হয়েছে। ফলে পথচারী সহ সাধারন জনগন ও অসুস্থ্য রোগী বহনকারী যানবাহন চলাচলে দুর্ঘটনা শিকার হচ্ছেন।সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদরে ধাপহাট থেকে নাগর নদের পাশ দিয়ে কালিতলার রাস্তাটির দূরত্ব সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার। নদী ভাঙ্গনের কারনে এই রাস্তার খোয়া, পাথর, পিচ, উঠে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে চলা চলের অনুপযোগী হয়ে পরেছে।বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে ধাপহাট হয়ে কালিতলা রাস্তা চলাচল পথচারীর সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হয়। স্থানীয়রা জানান, এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ পায়ে হেঁটে এবং বিভিন্ন যানবাহনে করে চলাচল করে। নাগর নদের তির ঘেষে আরসিসি গাইদ ওয়াল থাকলে পথচারী যাতায়াতের বা বিভিন্ন ধরনের ছোট ছোট যানবাহন চলাচল করতে পারতো এবং রাস্তাটি নদী ভাঙ্গনের কবলের থেকে রেহায় পেতো।প্রতিবছর রাস্তার মাঝে পানি জমে থাকে যে কারণে রাস্তাটির পিচ খোয়া উঠে খানা খন্দে পরিণত হয়েছে। এই রাস্তাটি সংস্কার হওয়া খুবই প্রয়োজন বলেও চামরুল ইউনিয়নের পাচঁথিতা এলাকার ছাত্তার মন্ডল, বলদমারার বুলু প্রাং, আটগ্রাম রাজ্জাক মিয়া খুনিহারা শহিদুল ইসলাম এলাকার মানুষ জানান, চামরুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাজাহান আলী বলেন, সড়কটি নাগর নদের পারে প্যালাসাইটিং (গাইদওয়াল) সংস্কার করা জরুরী প্রয়োজন।এব্যাপারে বহুবার উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল রুবেল হোসেন মুঠোফোনে জানায়, সড়কটির গুরুত্ব বিবেচনা করে তা সংস্কারের উদ্যেগ নেওয়া হবে। এই রাস্তাটি প্রথমে নির্মাণ করা হয়।এরপর দীর্ঘ ৭/৮ বছর পর্যন্ত এ রাস্তাটি সংস্কার হয়নি। ফলে রাস্তাটির খোয়া, পাথর উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ লোকজনের বাইসাইকেল, মটর সাইকেল, ভ্যান ইজিবাইক সহ বিভিন্ন পরিবহনে যাতায়াত করার সময় অহরহ দুর্ঘটনার সম্মুখীন হচ্ছেন। অনেক সময় অনেক ভ্যান গাড়ি উল্টে যেতে দেখা যায় এতে করে তাদের গাড়ির অনেক যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যায় তাই দ্রুত এই রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন। এই রাস্তাটি দিয়ে কাহালু থানার এলাকার মানুষ কালিতালা থেকে ধাপহাট হয়ে দুপচাঁচিয়া সদরে আসা অতি সহজ হওয়ায় এই রাস্তাটি জনবহুলে পরিণত হয়। কিন্তু এ রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাটি সাধারণ জনগণের এই পথ দিয়ে চলাচল করতে বিভিন্নভাবে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। উপজেলা প্রকৌশলী রুবেল হোসেন বলেন, এক কোটি টাকা ব্যায়ে আড়াই কিলোমিটার রাস্তার সংস্কারের দরপত্র আহবান ও ঠিকদারও নির্বাচিত হয়েছে। অল্পদিনের মধ্যে সড়কটি পাঁথিতা এলাকায় নাগর নদের তির ঘেষে মাটি ভরাট সহ রাস্তার সংস্কার কাজ করা হবে।