কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃÑ
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার গান্ধাইলে নতুন
নির্মিত একটি
রাস্তার বেহাল
দশা।
ঠিকাদার মাটি না দিয়ে
চটের
বস্তায় বালি ভরে রাস্তার
সোল্ডার বানিয়ে
ব্যবহার ও প্রয়োজনীয় কম্প্রেকশন ছাড়াই রাস্তার কার্পেটিং
কাজ
করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে
বলে জানান
স্থাণীয়রা। কাজিপুর উপজেলা
এলজিইডি অফিসসূত্রে
জানা যায়,
এলজিইডির গান্ধাইল
উত্তর পাড়ার
পাকা
রাস্তা হইতে বরইতলা স্মৃতিসৌধ
পর্যন্ত ৪শ
মিটার রাস্তার
কর্পেটিংএর জন্য ৪০ লক্ষ টাকা
বরাদ্দ দেয়া
হয়। আলী
আসলাম এন্টার
প্রাইজ নামের
একটি ঠিকাদারী
প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছিল। এলাকাবাসীর
অভিযোগ,
কাজ শুরু করে দীর্ঘদিন রাস্তাটি
ফেলে রাখে
ঠিকাদার। এরপর
গত ৪
জানুয়ারি প্রয়োজনীয়
কম্প্রেশন ও রাস্তার সোল্ডার না
করেই রাস্তাটির
কার্পেটিং এর কাজ শেষ করে
চলে যায়।
এ বিষয়ে
কথা বলতে
বৃহস্পতিবার সরেজমিন গিয়েও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের
কাউকে পাওয়া
যায়নি। তবে
কাজিপুর উপজেলা
এল জি
ই ডির প্রকৌশলী
একেএম হেদায়েত
উল্লাহ জানান,
ঠিকাদার পরে
রাস্তার সোল্ডার
করে দেবে
বলে কথা
দিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, এখন চারপাশে প্রচুর মাটি রয়েছে। এখনই কাজটি না করলে পরে মাটি পেতে সমস্যা হতে পারে। সোল্ডারসহ রাস্তাটির কাজ সমান্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
প্রকাশিত : শুক্রবার , ২৪ জানুয়ারী ২০২৫ , সকাল ০৯:৫৩।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , দুপুর ০১:১২
কাজিপুরে নির্মাণের দুই সপ্তাহের মধ্যেই রাস্তায় ফাটল
কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃÑ
সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার গান্ধাইলে নতুন
নির্মিত একটি
রাস্তার বেহাল
দশা।
ঠিকাদার মাটি না দিয়ে
চটের
বস্তায় বালি ভরে রাস্তার
সোল্ডার বানিয়ে
ব্যবহার ও প্রয়োজনীয় কম্প্রেকশন ছাড়াই রাস্তার কার্পেটিং
কাজ
করায় এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে
বলে জানান
স্থাণীয়রা। কাজিপুর উপজেলা
এলজিইডি অফিসসূত্রে
জানা যায়,
এলজিইডির গান্ধাইল
উত্তর পাড়ার
পাকা
রাস্তা হইতে বরইতলা স্মৃতিসৌধ
পর্যন্ত ৪শ
মিটার রাস্তার
কর্পেটিংএর জন্য ৪০ লক্ষ টাকা
বরাদ্দ দেয়া
হয়। আলী
আসলাম এন্টার
প্রাইজ নামের
একটি ঠিকাদারী
প্রতিষ্ঠান কাজটি বাস্তবায়ন করছিল। এলাকাবাসীর
অভিযোগ,
কাজ শুরু করে দীর্ঘদিন রাস্তাটি
ফেলে রাখে
ঠিকাদার। এরপর
গত ৪
জানুয়ারি প্রয়োজনীয়
কম্প্রেশন ও রাস্তার সোল্ডার না
করেই রাস্তাটির
কার্পেটিং এর কাজ শেষ করে
চলে যায়।
এ বিষয়ে
কথা বলতে
বৃহস্পতিবার সরেজমিন গিয়েও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের
কাউকে পাওয়া
যায়নি। তবে
কাজিপুর উপজেলা
এল জি
ই ডির প্রকৌশলী
একেএম হেদায়েত
উল্লাহ জানান,
ঠিকাদার পরে
রাস্তার সোল্ডার
করে দেবে
বলে কথা
দিয়েছে।
এদিকে স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, এখন চারপাশে প্রচুর মাটি রয়েছে। এখনই কাজটি না করলে পরে মাটি পেতে সমস্যা হতে পারে। সোল্ডারসহ রাস্তাটির কাজ সমান্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।