দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি:বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় সাগরকে গ্রেফতার করে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ। ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাতে দুপচাঁচিয়া থানার এসআই তারেক সঙ্গীও ফোর্স সহ দুপচাঁচিয়া থানাধীন পাঁচকুপি সাহারপুকুর এলাকা হতে আসামী সাগর(২৭)কে গ্রেফতার করে।ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম(১৬) গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সাহারপুকুর এলাকার চন্দ্রদীঘি গ্রামের আলী রেজার মেয়ে,সে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে।গত ৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে ভিকটিম তার নানার জন্য বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে সাহারপুকুর যাওয়ার পথে আসামী সাগর ওরফে মামুন(২৭)প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ৮ তারিখে ভিকটিমকে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে ১১তারিখ পর্যন্ত (৩) দিন আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এর এক পর্যায়ে ভিকটিম ধর্ষকের কাছ থেকে ফুঁসলিয়ে কৌশলে পালিয়ে তার নিজ বাড়িতে এসে পরিবারের কাছে বিস্তারিত ঘটনা বলে। ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপচাঁচিয়া থানায় ভিকটিমকে সঙ্গে নিয়ে অভিভাবক পিতা আলী রেজা থানায় একটি এজাহার দায়ের করে। এই ঘটনার ব্যাপারে দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম জানান, আসামী সাগর ওরফে মামুন(২৭)কে এই ঘটনা গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামীর বিরুদ্ধে দুপচাঁচিয়া থানা মামলা নং-৪, তারিখ-১৫-০২-২৫.ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত (২০০৩)এর-৯(১)মামলা হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে আসামীকে বগুড়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয় ও ভিকটিমকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শজিমেক এ ধর্ষণ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
প্রকাশিত : রবিবার , ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ , দুপুর ১২:২২।।
প্রিন্ট এর তারিখঃ সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৭:৪৯
দুপচাঁচিয়ায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় সাগর গ্রেফতার
দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি:বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় সাগরকে গ্রেফতার করে দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ। ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাতে দুপচাঁচিয়া থানার এসআই তারেক সঙ্গীও ফোর্স সহ দুপচাঁচিয়া থানাধীন পাঁচকুপি সাহারপুকুর এলাকা হতে আসামী সাগর(২৭)কে গ্রেফতার করে।ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম(১৬) গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সাহারপুকুর এলাকার চন্দ্রদীঘি গ্রামের আলী রেজার মেয়ে,সে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশুনা করেছে।গত ৮ ফেব্রুয়ারি তারিখে ভিকটিম তার নানার জন্য বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে সাহারপুকুর যাওয়ার পথে আসামী সাগর ওরফে মামুন(২৭)প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ৮ তারিখে ভিকটিমকে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে ১১তারিখ পর্যন্ত (৩) দিন আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এর এক পর্যায়ে ভিকটিম ধর্ষকের কাছ থেকে ফুঁসলিয়ে কৌশলে পালিয়ে তার নিজ বাড়িতে এসে পরিবারের কাছে বিস্তারিত ঘটনা বলে। ১৫ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপচাঁচিয়া থানায় ভিকটিমকে সঙ্গে নিয়ে অভিভাবক পিতা আলী রেজা থানায় একটি এজাহার দায়ের করে। এই ঘটনার ব্যাপারে দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদুল ইসলাম জানান, আসামী সাগর ওরফে মামুন(২৭)কে এই ঘটনা গ্রেফতার করা হয়েছে। আসামীর বিরুদ্ধে দুপচাঁচিয়া থানা মামলা নং-৪, তারিখ-১৫-০২-২৫.ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ সংশোধিত (২০০৩)এর-৯(১)মামলা হয়েছে। ১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে আসামীকে বগুড়া বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয় ও ভিকটিমকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল শজিমেক এ ধর্ষণ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।