ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
পরদিন বুধবার ও বৃহস্পতিবার বন্যার পানি বেড়ে পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। পরবর্তীতে পাহাড়ি ঢলে নেমে আসা পানির বেগ কমায় এবং বৃষ্টি না হওয়ায় বন্যার পানি কমতে থাকে। শনিবার সকাল থেকে পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়। ফলে বেশিরভাগ বাসা-বাড়ি থেকে পানি সরে গেছে। তবে বন্যার কারণে আড়িয়ল ও খলাপাড়া এলাকায় হাওড়া নদীর দুইটি বাঁধসহ অন্তত ৮টি স্থানে সড়ক ধসে পড়েছে। এতে করে এসব সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে পানি সরে গেলেও সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এখনও বন্ধ রয়েছে আখাউড়া স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। পাশাপাশি আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়েও যাত্রী পারাপার বন্ধ রয়েছে। এদিকে পানির প্রবল বেগে আখাউড়া আগরতলা সড়কের আব্দুল্লাহপুর, বঙ্গের চর এলাকায় সড়ক থেকে বীজ এবং পাথর সরে গিয়ে ইটের কংক্রিট ভেসে উঠেছে।ব্রাহ্মণবাড়িয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মনজুর রহমান জানান, হাওড়া নদীর পানির সমতলে হ্রাস পাওয়া অব্যাহত রয়েছে। গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত আরও ৪ সে. মি. কমে বিপৎসীমার ৫১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বর্তমানে হাওড়া নদীর গঙ্গাসাগর পয়েন্টে পানির সমতল রয়েছে ৫ দশমিক ৫৪ মিটার। ফলে বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে।এ ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজালা পারভীন রুহি বলেন, "আখাউড়ার বন্যা পরিস্থিতির ক্রমশ উন্নতি হচ্ছে। বাসা-বাড়ি থেকে পানি সরে যাচ্ছে। দ্রুত ভেঙে যাওয়া বাঁধ ও সড়ক মেরামত করে যানচলাচলের চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সাথে স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিক করার চেস্টা করা হচ্ছে।