• ঢাকা
  • সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , সকাল ০৬:৩১
  • ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

ফরিদপুর দালাল ও রিপ্রেজেন্টেটিদের দৌরাত্ম্য মাত্রা অতিরিক্ত মেডিকেলে ও সদর হাসপাতালে দেখার কেউ নেই

রিপোর্টার : dailyajkerjanobani
ফরিদপুর দালাল ও রিপ্রেজেন্টেটিদের দৌরাত্ম্য মাত্রা অতিরিক্ত মেডিকেলে ও সদর হাসপাতালে দেখার কেউ নেই ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

আলি আকবর আকুল, ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি :


দালাল ও রিপ্রেজেন্টেটিভদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে ফরিদপুর মেডিকেলে ও সদর হাসপাতালে ফরিদপুরসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি জেলার মানুষের একমাত্র উন্নত চিকিৎসার শেষ ভরসা ফরিদপুর সদর হাসপাতাল, এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। বর্তমানে এখানে বেড়ে গেছে দালালদের দৌরাত্ম্য। পাশাপাশি রিপ্রেজেন্টটিভদের প্রেসক্রিপশনের কাড়াকাড়ি, ও হাত ধরাধরি, হাসপাতালে আসলেই দালালের খপ্পরে পড়ে পদে পদে গুনতে হয় টাকা। এতে অতিষ্ঠ রোগী ও রোগীর স্বজনরা।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা প্রায় হাজারেরও অধিক। হাসপাতালের প্রত্যেকটি ফ্লোরে রোগী ভর্তি। যারা বিভিন্ন কারণে জেলা, উপজেলা ও আশপাশের জেলা থেকে বদলি হয়ে অথবা সরাসরি এসেছেন চিকিৎসা সেবা নিতে। এসেই তাদের পড়তে হচ্ছে নানা ভোগান্তিতে। অনেকে পড়ছেন দালালের খপ্পরে। এমটি ফরিদপুর সদর হাসপাতাল দালালদের খপ্পরে রুগী ও স্বজনরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হাসপাতালের  কয়েক জন কর্মচারী বলেন, গ্রামাঞ্চল থেকে আসা রোগীরা কোনো কিছু বুঝে আসার আগেই পড়ে যায় দালালের খপ্পরে। ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েই ওষুধপত্র নেয়ার দোকান ঠিক করে দেয় তারা। এরপর ডাক্তার দেখানোর নামেও হাতিয়ে নেয় আরও কিছু টাকা। জরুরি বিভাগের সামনে রুগী পৌঁছানো মাত্রই রোগীকে বেডে পৌঁছে দিতে আস্তির, পৌঁছে দিয়েই রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে নেয়া হয় ১০০ -, ২০০ টাকা।
অনেক রোগীর স্বজনরা বলেন, রোগী ভর্তি করেছি। এখনো বেড পাইনি। অনেকেই আসে কিছু টাকা দিলে বেডের ব্যবস্থা করে দেব। কিন্তু আমি তো অবস্থায় দালালদের টাকা দিয়েও অনেকে ব্যাট পায়নি। এমন ও জানা গেছে হাসপাতালের কিছু স্টাফ রয়েছে এর সাথে জড়িত। এরা থাকেন ধরা ছোঁয়ার বাইরে। যেমনটি ধরি মাছ না ছুই পাবি।
আবার অনেক বিসর্জনরা বলেন আমরা নতুন মানুষ বলে এখানে এসে পদে পদে দালালের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে। প্রথমে টের পাইনি পরে বুঝতে পেরেছি। যখন সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া থেকে সর্বশেষ ধাপ পর্যন্ত এখানে দালালের দৌরাত্ম্য। আর তাদের ছাড়াও কোনো উপায় নেই এমন অবস্থা। এ বিষয় নিয়ে কর্তৃপক্ষ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালে লোকবল সঙ্কটের কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তবুও রোগীদের সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দালালের বিষয়টি অকপটে স্বীকার করেন সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ‘আমরা কিছু দালালদের নাম উল্লেখ করে ঊর্ধ্ব জনক কর্মকর্তাদের জানিয়েছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।
এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবং রিপ্রেজেন্টেরদের বারবার সতর্ক করার পরও এরা কোন কথাই শুনছেন না আমরা এবিষয়ে নিরুপায়।


সারাবাংলা

আরও পড়ুন