• ঢাকা
  • সোমবার , ২ মার্চ ২০২৬ , রাত ১১:৪৩
  • ১৮ ফাল্গুন, ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অথচ বর্তমানে জনবল সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবায় পিছিয়ে পড়েছে হাসপাতালটি

রিপোর্টার : dailyajkerjanobani
বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অথচ বর্তমানে জনবল সংকটের কারণে স্বাস্থ্যসেবায় পিছিয়ে পড়েছে হাসপাতালটি ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

 আবদুল হাফিজ চৌধুরী, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি

কম খরচের চিকিৎসার জন্য উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে এসে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না। হাসপাতালটিতে চিকিৎসক সংকট থাকার কারণে অনেক রোগী বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিচ্ছেন যার ফলে তাঁদের অর্থ খরচ হচ্ছে অনেক বেশি।লোকবলের অভাবে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলা  স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি এখন নিজেই রোগীতে পরিণত হয়েছে। ৩১ শয্যার জনবল দিয়ে ৫০ শয্যার এই হাসপাতাল পরিচালিত হচ্ছে। কিন্তু ৩১ শয্যার যে জনবল থাকার কথা চিকিৎসক এবং নার্সদের ক্ষেত্রে তার অর্ধেক ও নেই। চিকিৎসক সঙ্কট থাকার কারণে চিকিৎসা নিতে আসা বড়লেখার ১০টি ইউনিয়ন ও  ১টি পৌরসভার প্রায় ২লক্ষ ৮২ হাজার মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। সরেজমিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে জানা যায় যে, ৫০ শয্যার এই  হাসপাতালটিতে মেডিকেল অফিসারের পোস্ট রয়েছে মোট ১৪টি। যার মধ্যে আবাসিক মেডিকেল অফিসার সহ এই মূহুর্তে কর্মরত আছেন মাত্র ৪ জন।সিনিয়র স্টাফ নার্সের ২৫ টি পদের  মধ্যে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ১১জন। এই স্বল্প জনবল নিয়েই ৫০শয্যার কাজ চালিয়ে যেতে হচ্ছে। হাসপাতালের বহি: বিভাগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ জন রোগী সেবা নিয়ে থাকেন এবং অন্ত: বিভাগে প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। যার ফলে রোগীদের যথাযথ সেবা দিতে ডাক্তার ও নার্সদের হিমশিম খেতে হয়। চিকিৎসক সংকটের কারণে হাসপাতালের আউটডোরে  উপ-সহকারী মেডিকেল অফিসারদের ও সেবা দিতে হয়। এদিকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য আউটসোর্সিংয়ে জনবল থাকলেও তা একটি ৫০ শয্যা হাসপাতাল মানসম্মতভাবে পরিস্কার রাখার জন্য যথেষ্ট নয়। তার উপরে  ৫ মাস ধরে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বেতন পাচ্ছেন না। যে কারণে হাসপাতালের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে রোগীদের দুর্ভোগ আরো বেড়ে যাচ্ছে।

নাজমুল হোসেন নামে এক রোগী জানান, হাসপাতালে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট না থাকার কারণে বর্তমানে এক্সরে করা যাচ্ছে না। লোডশেডিংয়ের বিপরীতে জেনারেটর থাকলেও তেল বরাদ্দ নেই। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে অন্ধকারে থাকে রোগীরা।

সামগ্রিক ব্যাপারে  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রত্নদীপ বিশ্বাস
জানান, বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট রয়েছে। মানুষের  কাঙ্খিত সেবা দিতে আমরা চেষ্টা করছি। সাধ্যের মধ্যে যতটুকু সেবা দেয়া সম্ভব তা আমাদের ডাক্তার নার্সরা রোগীদের দিচ্ছেন। তিনি বলেন, জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে। আশা করা যায় দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে।


সারাবাংলা

আরও পড়ুন