• ঢাকা
  • রবিবার , ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৬:৪৪
  • ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

পবিত্র রমজান মাসে ব্যাবসায়ীদের আন্তরিক হবার আহ্বান এটাই প্রত্যাশা দেশের সাধারণ মানুষের

রিপোর্টার : dailyajkerjanobani
পবিত্র রমজান মাসে ব্যাবসায়ীদের আন্তরিক হবার আহ্বান এটাই প্রত্যাশা দেশের সাধারণ মানুষের ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:

রমজান মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। এই রমজান মাসে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা সংযমের মাধ্যমে আল্লাহ নৈকট্য লাভের আশায় সিয়াম সাধন করে থাকেন। আমাদের বাংলাদেশের  বেশিরভাগই মানুষ মুসলিম। সে কারনে এই রমজান মাসে অনেক পরিবারেই বাড়তি একটা চাহিদা থাকে। কিন্তু দুঃখের থেকেই যায়, লক্ষ্যনীয় এই চাহিদাকে কেন্দ্র করে একশ্রেণির মুনাফালোভী বাজার সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি শুরু করেন। বিশ্বের অন্যান্য মুসলিম দেশের প্রায় রাজ্যে রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্য সীমিত করে রাখেন, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে ঠিক এর উল্টোটা দৃশ্যমান। রোজা আসার আগেই ক্রমাগত দাম বাড়ার মহড়া চলতে থাকে দ্রব্যমূল্যর। রমজানের আসার  আগে থেকেই বাজারে দ্রব্যমূল্যের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ফেলে। এতে করে দেখা দেয় চরম দুর্ভোগ। ক্রয় ক্ষমতা এমনিতেই সাধারণ জনগণের নাগালের বাইরে, তার ওপর রমজান উপলক্ষে দ্রব্যমূল্যের বাড়তি দাম এক প্রকার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দেয়ার মতন ব্যাপার। আর অল্প ক'দিন আছে পবিত্র রমজানের। এরই মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কিছুটা বাড়তে শুরু করছে। মুনাফালোভী অসাধু ব্যবসায়ীরা পণ্য সিন্ডিকেটের মাধ্যম শুরু করে দিয়েছে। বাড়তে শুরু করছে, তেল, মুড়ি, ছোলাসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় অনেক জিনিসের বেড়েই চলেছে। বাদ যাচ্ছে না খেজুর ও চিনির দাম ক্রমাগত হাড়ে বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে। সরকারের নির্ধারিত দামকে পরোয়া করছেন না অসাধু ব্যবসায়ীরা। মাছ-মাংসের দামও বেড়ে চলছে ক্রমাগত হারে।   মুনাফা লোভী সিন্ডিকেটের কাছে দেশের প্রায় সব মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। প্রতি বছর রমজান আসার আগে সরকারের পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিংয়ের কথা শোনা গেলেও তা কেবল বলা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ থাকে এটাই দৃশ্যমান। শহর কেন্দ্রিক দুয়েকটা মনিটরিং দেখা গেলেও  গ্ৰিম গঞ্জে তা বিরল। তাহলে কি সিন্ডিকেটররা প্রশাসনের চেয়েও প্রচুর শক্তিশালী। কিসে তাদের শক্তিশালীর নিয়ে, প্রশ্ন সাধারণ মানুষের আসতেই পরে । কিন্তু এর কোন যথার্থ কোনো উত্তর পাওয়া যায় নি আজও।, বিগত কয়েক বছরে সরকারের আন্তরিকতা ও নানামুখী পদক্ষেপ সত্ত্বেও রমজানে পণ্যের অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি কেন রোধ করা যায়নি, তা খতিয়ে দেখা উচিত মনে করেন দেশের সাধারণ মানুষ। শুধু রমজানে দ্রব্যমূল্য নয়, ঈদের সময় কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফিরতেও পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। হাস্যকর যুক্তিতে পরিবহন মালিকরা গাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি করে থাকে। ব্যবসায় মুনাফা অর্জন স্বতঃসিদ্ধ ও স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু মুনাফা অর্জনের নামে নীতি জ্ঞানহীন অনৈতিক কর্মকাণ্ড সমর্থনযোগ্য নয়। ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের দুর্দশা লাঘবে আন্তরিক হলে সারা বছর তো বটেই, রোজা-ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবেও বাজার স্থিতিশীল থাকবে বলে ধারণা। এবারের রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয়সহ সব ধরনের পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকারের পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়ীরাও আন্তরিক হবেন, এটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।


সারাবাংলা

আরও পড়ুন