ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
আব্দুল আল মামুন, বিশেষ প্রতিনিধ :
বৈষম্য বিরোধী শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে নানাবিধি দুর্নীতি অভিযোগকারী দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকতা ডাঃ শাহ আলম সিদ্দিকী কর্মস্থলে আসছেন না অনেকদিন।
রবিবার (১ সেপ্টেম্বর) দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভিতর অবস্থান বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা ডাক্তারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতাল কর্মরত জুনিঃ কনঃ(ইএনটি) ডাঃ মুহাঃ ইফতেখারুল ইসলাম ও সহকারী সার্জন ডাঃ ফেরদৌস মাহমুদ খান।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষার্থীদের তথ্য অনুযায়ী , দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শাহ আলম সিদ্দিকী ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে এ হাসপাতালে যোগদান করেন। সে থেকেই তার বিরুদ্ধে ভুয়া-বিল ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি টাকা আত্মসাত, ছদ্মনামে হাসপাতালের ঠিকাদারি কাজসহ নানা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এই বিষয়টি জানতে পেরে একদল ছাত্র রবিবার সকালে হাসপাতালে যান। এমন খবরে ঘটনাস্থলে আসে দৌলতপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক বৃন্দ। এ সময় ছাত্রদের তোপের মুখে পড়েন হাসপাতালে কর্মরত জুনিঃ কনঃ(ইএনটি) ডাঃ মুহাঃ ইফতেখারুল ইসলাম ও সহকারী সার্জন ডাঃ ফেরদৌস রহমান খান।
অবস্থার বেগতি বুঝতে পেরে, সিভিল সার্জন ডা. মকছেদুল মোমিন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শাহ আলম সিদ্দিকীকে ফোন করেন কর্মরত দুই ডাক্তার। এসময় বিভিন্ন অনিয়মের কথা তারা স্বীকার করেন। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা ডাক্তার শাহ আলম সিদ্দিকীর পদত্যাগ দাবি করেন।
হাসপাতাল কর্মরত জুনিঃ কনঃ(ইএনটি) ডাঃ মুহাঃ ইফতেখারুল ইসলাম বলেন- উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শাহ আলম সিদ্দিকী স্যার এক মাসের ছুটিতে আছেন। কিন্তু কর্মরত ডাক্তার ছুটির কোন নথিপত্র দেখাতে পারেননি। এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে মো. শাকিল বলেন- স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার শাহ আলম সিদ্দিকী যোগদানের পর থেকে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী লোকের সহযোগিতায় এ কাজগুলো করে থাকেন তিনি। তিনি নিজেকে আওয়ামী ডাক্তারদের সমিতির সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন। এমময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্ররা তার পদত্যাগ ও শাস্তি দাবি করেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শতাধিক শিক্ষার্থী।