• ঢাকা
  • রবিবার , ১৯ এপ্রিল ২০২৬ , সন্ধ্যা ০৬:৩৮
  • ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
হোম / সারাদেশ

কাজিপুরে দায়িত্বপালনে অসহযোগিতার অভিযোগে অবস্থান ধর্মঘটে এক স্যাকমো

রিপোর্টার : dailyajkerjanobani
কাজিপুরে দায়িত্বপালনে অসহযোগিতার অভিযোগে অবস্থান ধর্মঘটে এক স্যাকমো ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 সিরাজগঞ্জের কাজিপুর  উপজেলার নম্বর চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে একমাস যাবৎ অবস্থান করছেন এক উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার(এসএসিএমও/ স্যাকমো) তার নাম মোঃ মনিরুজ্জামান। গত ৩০ জুন তারিখে তিনি কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোমেনা পারভীনের কার্যালয়ে গিয়ে যোগদান করেন যার স্মারক নম্বর-৫৮৮/() উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা  যোগদানপত্র গ্রহণও করলেও ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তালা খুলে দেয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিন নিয়ম করে ওই কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এসে বসে থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বপালনের সুযোগ পাচ্ছেন না।

 গত শনিবার বেলা ১১ টায় সরেজমিন চালিতাডাঙ্গা উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে কেন্দ্রের বারান্দার সামনে একটি চেয়ার টেবিল পেতে বসে আছেন  উপসহকারি  কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামন। পিছনে ব্যানারে লেখা রয়েছে দায়িত্বপালন করতে না দেয়ায় অবস্থান ধর্মঘট করছেন তিনি।

বিষয়ে মনিরুজ্জামান জানান, আমি কয়েকবছর যাবৎ এই কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমার নিজ কেন্দ্রে অসাবধানতাবশত অগ্নিকান্ডের ঘটনায় আহত হয়ে গত ২১ মে থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নেই। আগুনে ওই উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের আসবাবপত্র ওষুধপত্র পুড়ে যায়। তখন থেকে ওই কেন্দ্রটি তালাবদ্ধ ছিলো। পরে প্রয়োজনীয় তদন্ত শেষে ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে উপজেলা অফিসে পাঠানো হয়। গত ৩০ জুন সুস্থ হয়ে নিয়মানুযায়ী  উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা অফিসার স্যারের অফিসে গিয়ে আমি যোগদান করি। তিনি যোগদানপত্র গ্রহণ করলেও  আমার কর্মস্থল চালিতাডাঙ্গা উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের চাবি  আমাকে হস্তান্তর করেননি। তিনি আরও জানান, প্রথমে আমাকে মৌখিকভাবে অপেক্ষা করতে বলেন ওই কর্মকর্তা। পরে তিনি আমাকে আবারো যোগদান করতে বলেন। কেনো আমি পুনরায় যোগদান করবো বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেননি। তখন থেকে আমার বেতনভাতাও বন্ধ হয়ে আছে। এখন আমি মানবেতর জীবন যাপন করছি। আমি এর সুষ্ঠু সমাধান চাই।

 

এদিকে ওই উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি বন্ধ থাকায় এলাকার মানুষজন কয়েকমাস যাবৎ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক মানুষ এই কেন্দ্রে এসে ফিরে যাচ্ছেন বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দা সোহেল ইসলাম। তিনি জানান, হাসপাতালটি বন্ধ থাকার কারণে আমরা কোন ওষুধ পাচ্ছিনা। আগে অনেক পরামর্শ ওষুধ পেতাম।

  বিষয়ে কাজিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোমেনা পারভীন জানান, মনিরুজ্জামান মানসিকভাবে সুস্থ্য নয়। কারণে আগুনের ঘটনা ঘটেছে।  হাসপাতাল ছাড়ার পরে তিনি আমার সাথে যোগাযোগ না করে নিরুদ্দেশ ছিলেন অনেকদিন। আগুনে অনেক ওষুধ পুড়ে গেছে। তিনি সিজারলিস্টেও স্বাক্ষর করতে চান না। বিষয়টি আমি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

 সিরাজগঞ্জ সিভিল সার্জন রামপদ রায় জানান, শুনেছি ওখানে একটা ঝামেলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে  ব্যবস্থা নেয়া হবে।


সারাবাংলা

আরও পড়ুন