ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
সিরাজগঞ্জ অফিস:
উপমহাদেশের মেহনতী মানুষের প্রতিবাদী কন্ঠস্বর মুক্তিযুদ্ধের প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সিরাজগঞ্জে নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে ৪৮ তম, মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মওলানা ভাসানী প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও গরীব অসহায় ও দুস্থদের মধ্য খাবার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৭ টার দিকে মওলানা ভাসানী ডিগ্রী কলেজে প্রাঙ্গণে মওলানা ভাসানী কেন্দ্রের আয়োজনে মওলানা ভাসানীর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করা হয়। পরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে মওলানা ভাসানী কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মো. সানোয়ার হোসেন সানু সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মওলানা ভাসানী কেন্দ্রের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম দুদু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মওলানা ভাসানী ডিগ্রী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজ উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ মোঃ সিরাজ উদ্দিন বলেন, মওলানা ভাসানীর তিনকাল ভারত, পাকিস্তান ও আসাম। এর মধ্যে তাঁর জন্য আসাম ছিল কঠিন জীবন। কারণ তিনি আসামে লাইন প্রথা বিরোধী, বাঙ্গাল-খেদা ও আসাম-বাংলা সার্ববৌম রাষ্ট্র গঠনে ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় পাড় করেছেন।
মওলানা ভাসানী পা থেকে মাথা পর্যন্ত রাজনীতিক ছিলেন। কেউ ভাসানীকে বলেছেন রাজনীতিবিদ, কেউ বলেছেন সমাজতন্ত্রবিদ, আবার কেউ বলেছেন ধর্মীয় নেতা বা পীর। যেহেতু ইসলামে সবকিছুই আছে-তাই তিনি ইসলামি সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন। তিনি আরো বলেন, সমাজে এখন ব্যাপক কর্মসংকট। লক্ষ লক্ষ যুবক শিক্ষা উপযোগী কাজ পাচ্ছে না। প্রকৃত গণতন্ত্র আমাদের দেশে নেই। গণতন্ত্র পুরোপুরি যখন লক্ষ্যে পৌঁছে তখন সমাজতন্ত্রের বাস্তবায়ন হয়। পুরোপুরি গণতন্ত্র তখনই হবে যখন দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে। মওলানা ভাসানীর অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
এসময়ে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ সরকার, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল লতিফ, প্রভাষক মো. সাদরিল আমিন, মওলানা ভাসানী ডিগ্রী কলেজের রোভার স্কাউট গ্রুপের সাবেক সিনিয়র রোভার মেট ও অএ কলেজের স্টাফ মোঃ হানিফ, প্রমুখ, এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।