ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
উজ্জ্বল চক্রবর্ত্তী শিশির, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধি:
বগুড়ার দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাসষ্ট্যান্ড যানজটের কারণে জনগনের সীমাহীন দুর্ভোগ ও প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা পরতে হচ্ছে। কর্র্র্তৃপক্ষের নজরে আসবে কি? বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের মাঝে দুপচাঁচিয়া উপজেলা সিও অফিস বাসষ্ট্যান্ড এলাকার রাস্তার দু’পাশে তীব্র যানজট ও ফুটপাতে অবৈধ দোকান বসার কারনে প্রতিনিয়ত ঘটচ্ছে দুর্ঘটনা এতে জনগনের ভোগান্তির শেষ নেই। বগুড়া-নওগাঁ মহাসড়কের মাঝে দুপচাঁচিয়া উপজেলায় তিনটি বাসষ্ট্যান্ড রয়েছে, এর মধ্যে থানা-বাসষ্ট্যান্ড, মেইল-বাসষ্ট্যান্ড ও সিও অফিস-বাসষ্ট্যান্ড, মহাসড়কের দু’পাশ দিয়ে সাধারন জনগনের চলাচলের জন্য দুপচাঁচিয়া পৌরসভার উদ্যোগে আরসিসি ড্রেন নির্মাণ করে জনগনের সুবিধার্তে ড্রেনের উপরে স্লাব দিয়ে যাতায়াতের সুবিধা করে দিয়েছে। মহাসড়কের দু’পাশে ফুটপাতের রাস্তাটির অবৈধ ভাবে বসছে কিছু দোকানপাট, এবাদে সিও অফিস চৌরাস্তার রোডের মাঝখানে ডিভাইদার হতে রাস্তার কিছু অংশে অটোভ্যান, সিএনজি দিয়ে রাস্তার মাঝামাঝি এলাকা জুড়ে অবৈধ ভাবে পার্কিং করে রাখে কর্র্তৃপক্ষের নজরে আসেনা। যানজট সৃষ্টি মূল কারন উপজেলা রোডে অনিয়মতান্ত্রিক ভাবে রিক্সা, ভ্যান পার্কিং, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সামনে কাঁচা বাজার বসানো, মাইক্রো স্ট্যান্ডের পাশে ছ’মিল এলাকায় অবৈধভাবে গাছের গুড়ি ফেলে রাখে দিনের পর দিন। এবাদে মহাসড়কের চৌরাস্তার মোড় থেকে উত্তর দিক হাসপাতালের নতুন গেট হয়ে অবৈধ দোকানপাট বসার কারনে যানজটের সৃষ্টির হলে জনগন সীমাহীন দুর্ভোগে পরেন।
বিশেষ করে সিও অফিস বাসষ্ট্যান্ডে বিগত দিনে ট্রাফিক ব্যবস্থার জন্য একটি পুলিশ বক্স ছিলো। সেই পুলিশ বক্সে দু’জন ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিরসনের জন্য নিয়মিত দায়িত্ব পালন করতো। দুপচাঁচিয়া উপজেলাতে পার্শ্ববর্তী ৬/৭টি উপজেলার অধিকাংশ জনগন কেনাকাটা সহ প্রয়োজনীয় কাজকর্মের জন্য প্রতিদিন সিও অফিস বাসষ্ট্যান্ডে বাস যোগে অথবা সিএনজি ও আটো ভ্যান হতে যাত্রীরা উঠানামা করে। সেই সময় যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে পরতে হয়। বিশেষ করে দুর্ঘটণার কারন মাছের আড়ৎ হয়ে রাস্তার দু’পাশে ভ্রাম্যমান ফলের দোকান, কাচাঁবাজারের কিছু দোকান ও যত্রতত্র অটোভ্যান সিএনজি পার্কিং করা সাধারন জনগন মহাসড়কের রাস্তার এপার হতে ওপারে যেতে গেলে দুর্ঘটনার কবলে পরেন। এই চৌ রাস্তায় কোর ফুট ওভার ব্রীজ নেই।
এব্যাপারে অনেক বার পৌরসভার কর্তৃপক্ষ সহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাত আরা তিথীর সংগে মুঠোফেনে যোগাযোগ হলে তিনি জানান, পৌর কর্তৃপক্ষ, ইউএনও মহোদয়, সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিজা আক্তার বিথী ও পুলিশ প্রশাসন সহ নাগরিক কমিটির সদস্য যৌথ ভাবে যানজট নিরসনের জন্য সরকারি জায়গায় উপরে অবৈধ্যভাবে ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদ সহ যত্রতত্র গাড়ী পার্কিং করায় অভিযান পরিচালনা করে যানজট ও শৃঙ্খলামুক্ত করেন। আবার কিছু দিনের মধ্যেই শুরু হয় দখলদারদের দখলবাজি, ফলে জনগনের ভোগান্তি থেকেই যায় আগের মতই যে লাউ সেই কদু। ৫ আগষ্ট পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিস্ক্রিয় হওয়ায় যানজট ও দূর্ঘটনা বেরেই চলছে। গত কয়েকদিন থেকে দুপচাঁচিয়া সিও অফিস এলাকায় ব্যাপক দূর্ঘটনা ঘটছে, শুধু আইন ব্যবস্থা প্রয়োগ না করার কারনে যানজট ও দুর্ঘটনা দিনদিন বাড়ছে। দুপচাঁচিয়া উপজেলা হতে অনেক বার বিভিন্ন মিডিয়ায় ও পত্র-পত্রিকায় প্রচার করা পরও যানজটমুক্ত করার কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নাই। দুপচাঁচিয়া এলাকার জনগন যানজট ও দুর্ঘটনা মুক্ত শহর চাই, এবার কর্তৃপক্ষের নজরে আসবে কি ?