ই-পেপার/প্রিন্ট ভিউ
মো: মিজানুর রহমান, জেলা প্রতিনিধি টাঙ্গাইল:
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ কথা বলেন, মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম আরিফুল ইসলাম
৩০ জুন সোমবার সকাল ১১ টায় মির্জাপুর উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্য ও কর্তৃত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়ে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণের আয়োজনে ছিলেন উপজেলা পরিষদ মির্জাপুর টাঙ্গাইল।অনুষ্ঠানটিতে সার্বিক সহযোগিতা করেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণসেল, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ,স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, ঢাকা।
অনুষ্ঠানে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম আরিফুল ইসলাম, মো: মাসুদুর রহমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) মির্জাপুর টাঙ্গাইল,মির্জাপুর থানা তদন্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন আহমেদ সহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা বৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মির্জাপুরের বিভিন্ন সংস্থার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রশিক্ষণে তামাক ও তামাক জাত পণ্যের ক্ষতিকর দিক, আইন ও ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার পদ্ধতি ও জনসচেতনতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।
এ সময় ইউএনও মহোদয় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে নিজের সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
মোঃ মাসুদুর রহমান সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন,পরোক্ষ ধূমপানে নারী ও শিশুরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটা প্রতিরোধে আইন প্রয়োগ যতটা না জরুরী তার চেয়ে বেশী জরুরি হচ্ছে জনসচেতনতা। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বাসায় একজন বাবা অবলীলায় ধূমপান করছেন সেখানে তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরা পরোক্ষ ধূমপানে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটা প্রতিরোধ করতে হলে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই দেশের মানুষকে তামাকের কুফল হতে আমরা রক্ষা করতে পারি।
পাবলিক প্লেস বিশেষ করে বাস স্ট্যান্ড, রেলওয়ে স্টেশন, বাসের ভেতর, স্কুল কলেজের নিকটস্থ জায়গায় ধূমপান নিষিদ্ধকরণ সহ আইনের প্রয়োগ থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে তাৎক্ষণিক জরিমানা করা যেতে পারে।
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োগ বাড়বে আর সাধারণ মানুষ সচেতন হবে; প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সকলের প্রত্যাশা এটি।